Blog

গীতা পাঠ সম্পূর্ণ বাংলায়

গীতা শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় বক্তব্য নয়। এটি জীবন দর্শনের এক অনন্য মাধ্যম। ধর্মীয় ভেদাভেদের বাইরে গিয়ে প্রতিটি মানুষকেই সেই দর্শনের উপলব্ধি করা উচিৎ।
আমরা সেন এন্টারটেইনমেন্টের তরফ থেকে আপনাদের কাছে নিয়ে এসেছি ‘সহজ পদ্য গীতা’ (বাংলায়), শুধুমাত্র আমাদের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে।
আপনারা শুনুন, শেয়ার করুন, এবং বাড়ির বয়ঃজ্যেষ্ঠ সদস্যদের শোনার সুযোগ করে দিন। এবং চ্যানেলটা subscibe করে রাখুন ।

সহজ পদ্য গীতা

পাঠে : কুমারী গৌরী সেন

কাঁচা বাদাম গানের কপিরাইট ক্লেইম করলেন ভুবন বাদ্যকর

ভুবন বাদ্যকর, তাঁর ‘কাঁচা বাদাম’ গানটা ভাইরাল হয়েছে। তাঁর গানের উপর ডিজে রিমিক্স, লো-ফি, ভাঙরা, মেটাল, ইন্সটা রিল, অ্যানিমেশন সহ এক গুচ্ছ কন্টেন্ট তৈরী হয়েছে এবং সেগুলোও ভাইরাল হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ার কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা উপার্জন করছেন তাঁর কাজ নিয়ে। অথচ যে স্রষ্টা – তাঁর উপার্জন শূন্য।
তিনি কিন্তু মূলত উপার্জনের জন্যেই বানিয়েছিলেন এই গান (তবে অন্যে ভাবে, তাঁর পেশা ভিত্তিক কারণে)। গানটা বানানোর সময় ভাবতেও পারেননি ভবিষ্যৎ এরকম হবে।
তাঁর গান খারাপ, ভালো – যাই হোক; কিছু মানুষ সেটার প্রতি আকর্ষণ অনুভব করেছেন বলেই আজ সেটা ভাইরাল হয়েছে। এখন তিনি তাঁর কপিরাইট দাবি করাতে সোশ্যাল মিডিয়ার এক অংশ খিল্লিতে ফেটে পড়ছে।
কেন?
একজন নিম্নবিত্ত, প্রান্তিক মানুষ, যিনি গানটির আসল স্রষ্টা – তিনি তাঁর লভ্যাংশ, তাঁর অধিকার বুঝে নিতে পারেন না?
আমি কারোর সাথে তুলনা করছি না, তবে একটা কথা বলতেই হচ্ছে – কিছুদিন আগেই এই বাংলাবাসী ‘বাদশা’র বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিল, সে ‘রতন কাহার’কে না জানিয়েই তাঁর গান ‘লাল গেন্দা ফুল’-এর রিমেক করেছিল বলে।
তাহলে এইবার এত খিল্লির কারণ কী?

Movie review | Bob Biswas – Diya Annapurna Ghosh

Spoiler alert

শাশ্বত চ্যাটার্জীর সাথে অভিষেক বচ্চনের তুলনা না করতে চাইলেও তুলনাটা এসেই যায়, কারণ দুজনে একই চরিত্রে অভিনয় করেছেন। আর এই তুলনায় শাশ্বত অভিষেককে অনেক পয়েন্টে হারিয়ে দিয়েছে। তবে অভিষেককে খারাপ লাগেনি, শুধু যারা ২০১২ সালের ‘কাহানী’ দেখেছেন – তাদের একটু মেনে নিতে অসুবিধা হবে।

পার্শ্ব চরিত্রে অনেক ভালো ভালো অভিনেতাদের নেওয়া হয়েছে, কিন্তু সবাইকে তাদের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ দেওয়া হয়নি। পুরব কোহলি তাঁর screentime টুকু ফাটিয়ে অভিনয় করেছেন, পরান বন্দ্যোপাধ্যায় বরাবরের মতই দারুণ, চিত্রাঙ্গদা সিং ঠিকঠাক, পবিত্র রাভার অংশটুকু ভালো, এছাড়া বাকিদের খুব একটা সুযোগ দেওয়া হয়নি।

Screenplay আরেকটু শক্তিশালী হতে পারতো। সুজয় ঘোষের মেয়ে দিয়া অন্নপূর্ণা ঘোষের প্রথম কাজ হিসেবে ঠিকঠাক। তবে বেশ কিছু জায়গায় আরও সচেতনতা অবলম্বন করতে হত। পুরো সিনেমাটা বানানো হয়েছে ‘কাহানী’ সিনেমার sequel হিসেবে। কারণ – (1) ২০০০ টাকার নোট দেখানো হয়েছে শুরুতেই – মানে ২০১৬ সালের পরের ঘটনা। (2) শেষে বর্তমান সময় দেখানো হয়েছে ২০২০ সাল।কিন্তু ‘বব বিশ্বাস’ গোরস্থানে দাঁড়িয়ে ‘ভিদ্যা বাগচী’র killing contact পেল। এর অর্থ দুটো হতে পারে – (1) screenplay তে বড় ধরণের continuity error আছে। (2) বর্তমানে ‘ভিদ্যা বাগচী’ অন্য কেস নিয়ে ব্যস্ত, এবং ‘বব বিশ্বাস’ দ্বিতীয় বারের মত তার killing contact পেল।

আমার গোটা সিনেমাটা মোটের উপর মোটামুটি লেগেছে।

Movie review | Hobu Chandra Raja Gobu Chandra Montri | Aniket Chattopadhyay

অবশেষে দেখলাম ‘হবুচন্দ্র রাজা গবুচন্দ্র মন্ত্রী’।
আশা করি এতদিনে সকলেই দেখে নিয়েছেন। কার কেমন লাগল বলতে পারেন কমেন্ট বক্সে। আমি শুধুমাত্র বলছি আমার কেমন লাগল।
প্রথমেই বলে রাখি, যারা এটিকে ‘হীরক রাজার দেশে’-র সাথে তুলনা করেন – আমি তাদের সুস্থতা কামনা করি। 😊🙏

হীরক রাজার দেশে (multi layerd) =/= হবুচন্দ্র রাজা গবুচন্দ্র মন্ত্রী (single layerd)

এটি একেবারেই বাচ্চাদের সিনেমা নয়। আমার মনে হয়না কোনো বাচ্চা এতে দর্শিত রাজনীতি সম্পর্কে একটুও ওয়াকিবহাল! বাচ্চাদের সিনেমার মোড়কে এটি কয়েকজনের একটি নির্দিষ্ট দলের বিরুদ্ধে নিজেদের মনোভাব উপস্থাপন করার একটি মাধ্যম মাত্র।

রাজনৈতিক ব্যাপার-স্যাপার দূরে রেখে যদি শুধু সিনেমার কথা বলি – তাহলে গল্পটা খুব ছোটো এবং ভালো, যা আরো ভালোভাবে উপস্থাপন করা যেত যদি শুধুমাত্র একটা নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর জোর দেওয়া না হত।
সকালেই দুর্দান্ত অভিনেতা, তাই ওদিকটায় আর গেলাম না।
পুরো সিনেমায় মাত্র দু-একটা ইংরেজী শব্দ একেবারেই বেমানান, এবং শ্রুতিকটূও বটে। হিন্দিটা মানিয়ে নিতে পারলেও, ইংরেজীটা কানে বাজল। Chinese-কে ‘চৈনিক’ বলা গেলে Honeymoon-কে ‘মধুচন্দ্রিমা’ বলা গেল না কেন?
আরেকটা ব্যাপার যেটা আমার বোধগম্য হল না, সেটা হচ্ছে – ‘রোগা মানুষকে শূলে চরানো যায় না’ এটা কেন যদি কারুর জানা থাকে তাহলে আমাকে জানাবেন।

এই চলচ্চিত্র রূপায়ণে যেটা আমার সবথেকে ভালো লাগল, সেটা হল – গোটা টিমের প্রচেষ্টা এবং প্রযোজক মহাশয়ের সাহস। সেইজন্য এঁদের কুর্নিশ। বাংলায় এরকম সিনেমা খুব একটা আসে না, তাই কিছুটা আশাহত মন নিয়েও… 🙏

Movie review | Black Widow – Cate Shortland

Black Widow – intended to be one of the earliest Marvel film as the production was started in 2004, long before the beginning of MCU. But somehow it got shelved. And now after so many delays, MCU’s latest has released. Now, I’m gonna review the whole film.

The film starts with a emotional scene of young Natasha with her sister Yelena and their adoptive parents Melina and Alexei. Alexei reveales they have to get out of the city for a reason. The whole family escaped to Cuba and the children Natasha and Yelena has been handed over to the Red Room diractor Dreykov. From that time their training was started with other girls, to be a Black Widow.
In a present day, (after Captain America: Civil War) Natasha escapes from America as a fugitive for violating Sokovia Accords. She reunites with her long lost sister Yelena at Budapest. Where she learns an old enemy (Dreykov), whom she believed she killed a long time ago, actually still alive today. After that they unite with their old family and the story goes on..

Florence Pugh did a fantastic job as Yelena Belova (might be MCU’s new official Black Widow). Scarlett Johansson did great what she always do. David Harbour as Red Guardian and Rachel Weisz as Melina did their parts well. A gender swapped version of Taskmaster appeared in the film played by Olga Kurylenko, and it was OK, though she didn’t get much scope to act. William Hurt as Secretary Ross only appeared to link the stories from Captain America: Civil War. O-T Fagbenle appeared as Rick Mason, and he was good. We have seen the character’s father (or brother in MCU version) Phineas Mason in Spider-Man: Homecoming. And Ray Winston played the main antagonist Dreykov. He did a fair job with his character, but I personally feel there should have more depth and more screen time for the character. Also a little surprise, bodybuilder Oliver Richters played the character Ursa Major in his human form, which is apparently MCU’s first mutant character on-screen.

The most negative part (also funny) of the film I feel – The hiding of Red Room behind the clouds (literally). Dreykov with a huge space station hiding behind the clouds and masterminding many criminal activities around the world for years, and nobody found a trace of his operation centre!

The name “Budapest” has been mentioned so many time by Natasha and Barton in previous MCU films. I expected a little more of the flashback scenes in that place with a Clint Barton appearance.

The story is not about a single Black Widow (Natasha Romanoff), but also a lot of Widows’, especially the one Natasha grew up with (Yelena Belova). I believe it is an important film of MCU, because it can be a prequel of many more upcoming films set in that universe.

And one more thing – actor Julia Louis-Dreyfus reprised her role as Valentina Allegra de Fontaine from ‘The Falcon and the Winter Soldier’, and approached Yelena Belova to kill Clint Barton. The approach was similar to the picking of US Agent from that series. Is she assembling the Dark Avengers team? What do you think? Let me know in the comment section.